Benami Diary: খেলাধুলো
Showing posts with label খেলাধুলো. Show all posts
Showing posts with label খেলাধুলো. Show all posts

Friday, June 26, 2020

ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বাধিকবার গোল্ডেন ডাক হওয়া পাঁচ ক্রিকেটার, একজন ভারতীয়ও রয়েছেন তালিকায়

June 26, 2020 0
ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বাধিকবার গোল্ডেন ডাক হওয়া পাঁচ ক্রিকেটার, একজন ভারতীয়ও রয়েছেন তালিকায়


যে কোনো খেলাতেই শূন্য হাতে কেউই ফিরতে চাননা। ক্রিকেটেও কেউ চাননা খালি হাতে ফিরতে হোক ড্রেসিং রুমে। তবে বোলারদের ব্যাপার একটু আলাদা। কোনো বোলার হয়ত একটা ম্যাচে বল হাতে কোনো উইকেট পেলেননা কিন্তু এতটাই কম রান দিলেন যে দলের তাতে সমূহ লাভ হল। কখনো সখনো তো রান তোলার গতিকে আটকানোর জন্য তথাকথিত অলরাউন্ডার নন এমন খেলোয়াড়কেও বল করতে দেখা গেছে। কিন্তু ব্যাট হাতে শূন্য রানে সাজঘরে ফেরা বড়ই লজ্জার বিষয়। আবার কেউ যদি প্রথম বলেই একদম শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন তার চেয়ে লজ্জার তো কিছুই হতে পারেনা। আজকের এই প্রতিবেদনে আমরা আলোচনা করব এমন পাঁচ ক্রিকেটারকে নিয়ে যাঁরা সবচেয়ে বেশি বড় গোল্ডেন ডাক হয়েছেন ওয়ান ডে ক্রিকেটে।

৫. মঈন খান- মঈন খান পাকিস্তান দলের নির্ভরযোগ্য উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ছিলেন। দলের হয়ে আক্রমণাত্মক ইনিংস খেলার জন্য তিনি বিখ্যাত ছিলেন। এমনকি পাকিস্তান দলকে নেতৃত্বও দিয়েছেন তিনি। তাঁর অধিনায়কত্বেই ২০০০ সালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে এশিয়া কাপ ঘরে তোলে পাকিস্তান।

তিনি আজকের এই তালিকায় একমাত্র স্বীকৃত ব্যাটসম্যান।একদিনের ক্রিকেটে মোট ম্যাচ খেলেছেন ২১৯টি।২৩ রানের গড়ে সংগ্রহ করেছেন ৩২৬৬ রান। স্ট্রাইক রেট ছিল ৮২র আসে পাশে, যা তাঁর সময়ে বেশ ভালো বলেই মনে করা হত। তিনি মোট  ১৮৩ ইনিংসের মধ্যে ১১ বার প্রথম বলেই আউট হয়ে সাজঘরে ফিরেছেন।

৪. মুত্থাইয়া মুরালিধরন- বল হাতে ক্রিকেটারদের রাতের ঘুম কেড়ে নেওয়ার জন্য তাঁর নামটাই যথেষ্ট ছিল। একা বল হাতে শ্রীলঙ্কাকে বহু হারা ম্যাচ জিতিয়েছেন তিনি। সাদা হোক বা রঙিন জার্সি, বিশ্বের সর্বাধিক উইকেট শিকারি এখনোপর্যন্ত তিনিই। তিনিই বিশ্বের একমাত্র বলার যিনি সমস্ত টেস্ট খেলিয়ে দেশের বিরুদ্ধে দশ উইকেট নিজের নামে করেছেন।

তবে আর পাঁচজন বোলারের মতো তিনিও ইনিংসের শেষের দিকেই ব্যাট করতে যেতেন। একদিনের ক্রিকেটে ব্যাট হাতে ১৬২ বার বাইশ গজে গেছেন, এবং তার মধ্যে ১১ বারই প্রথম বলেই সাজঘরে ফিরেছেন। আরো চমকপ্রদ তথ্য যা আপনাকে অবাক করবে, সব ধরনের ফরম্যাট মিলিয়ে সর্বাধিক ৫৯বার ডাক হয়েছেন তিনি।

৩. জাভাগল শ্রীনাথ- এই তালিকার তৃতীয় ব্যক্তি হলেন একজন ভারতীয় বোলার জাভাগল শ্রীনাথ, যিনি বর্তমানে আইসিসির এলিট প্যানেল ম্যাচ রেফারি। নিজের সময় ভারতীয় পেস আক্রমনের অন্যতম প্রধান অস্ত্র ছিলেন জাভাগল শ্রীনাথ। বল হাতে গতির ফোয়ারা চুটিয়ে বহু ম্যাচে ভারতকে জয়ের কড়ি জোগাড় করে দিয়েছেন। ভারতের হয়ে ২২৯ টি একদিনের ম্যাচে ৩১৫টি উইকেট সংগ্রহ করেছেন।

 তবে ব্যাট হাতে মারাত্মক নড়বড়ে ছিলেন তিনি। মোট ১২১ বার ব্যাট করেছেন একদিনের ম্যাচে। একটি হাফ সেঞ্চুরি সহ সংগ্রহ করেছেন ৮৮৩ রান। এর মধ্যে প্রথম বলেই শূন্য হাতে ফিরেছেন ১১ বার। তবে ব্যাট হাতে একটা ভালো রেকর্ডও আছে তাঁর নামের পাশে ক্রিকেট বিশ্বকাপে নয়বার নট আউট থেকেছেন, যা বিশ্বে দ্বিতীয় সর্বাধিক।

২. শহীদ আফ্রিদি- এই তালিকার দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে রেখেছেন আরেক পাকিস্তানি ক্রিকেটার শহীদ আফ্রিদি। যে শহীদ আফ্রিদি তার ভক্তদের কাছে বুম বুম আফ্রিদি নামে পরিচিত তাঁর নাম এই লজ্জার রেকর্ডে থাকা তাঁর ভক্তদের নেহাত বিড়ম্বনায় ফেলবে।

কিন্তু রেকর্ডকে বদলায় সাধ্য কার। তাই যেমন ৩৭ বলে সেঞ্চুরি করার অনন্য রেকর্ডের অধিকারী ছিলেন তেমনি ক্রিকেট জীবনে রঙিন জার্সি গায়ে মোট ৩০ বার শূন্য রানে আউট হয়েছেন। যার মধ্যে দ্বিতীয় সর্বাধিক ১২ বার গোল্ডেন ডাক হওয়ার অসাধারন রেকর্ডও তাঁর নামের পাশেই জ্বলজ্বল করছে। তবে তাঁর ৩৬৯টি ইনিংসে ২৩.৫৮ এর গড়ে মোট ৮০৬৪ রান করেছেন।

১. লাসিথ মালিঙ্গা- ডেথ ওভার আর পারফেক্ট ইওর্কার এই দুটো কথা মাথায় আসলেই ঝাঁকড়া চুলের শ্রীলঙ্কান পেসারের নাম মনে আসতে বাধ্য। নিজের অভিনব বোলিং স্টাইল আর নিখুঁত ইয়র্কার বল করার জন্য বিখ্যাত এই ক্রিকেটার। বল হাতে ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বাধিক তিনবার হ্যাটট্রিক যার মধ্যে দুটি বিশ্বকাপে নেওয়ার রেকর্ডের অধিকারী তিনি।

তবে ব্যাট হাতেও এক অনন্য লজ্জার রেকর্ডের অধিকারী। ওয়ানডে ক্রিকেটে ইতিহাসে সর্বাধিকবার প্রথম বলেই আউট হয়ে সাজঘরে ফিরেছেন মালিঙ্গা। যার সংখ্যা নয় নয় করে তেরো বার। সাধে কি আর বলে আনলাকি থার্টিন।

Thursday, June 25, 2020

টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বাধিক ডাক হওয়া পাঁচ ব্যাটসম্যান, ডন ব্র্যাডম্যান কবার হয়েছিলেন জানুন

June 25, 2020 0
টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বাধিক ডাক হওয়া পাঁচ ব্যাটসম্যান, ডন ব্র্যাডম্যান কবার হয়েছিলেন জানুন



ক্রিকেটের ইতিহাসে শূন্য রানে আউট হওয়া অতি স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু যে কোনো ব্যাটসম্যানের কাছেই এ অতি লজ্জার ব্যাপার। শচীন তেন্ডুলকর থেকে ব্রায়ান লারা সকলেই কোনো না কোনদিন ডাক হয়েছিলেন। আজ জেনে নেব টেস্ট ক্রিকেটে সর্বাধিকবার ডাক হওয়া ক্রিকেটারদের নাম। অবাক হবেন জেনে শহীদ আফ্রিদির নাম নেই এই তালিকায়।
     


৫. শেন ওয়ার্ন- এই ডাক হওয়ার তালিকায় প্রথম নামটি শেন ওয়ার্নের। শেন ওয়ার্নকে গোটা বিশ্ব চেনে স্পিনের জাদুগর হিসেবে। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বাধিক উইকেট শিকারি এই অস্ট্রেলিয়ান খেলোয়াড় মোট ১৪৫টি টেস্টে ১৯৯ বার পায়ে প্যাড গলিয়েছেন। তার মধ্যে ১৭.৩৩ গড়ে মোট ৩১৫৪ রান করেছেন। এই ১৯৯টি ইনিংসের মধ্যে মোট ৩৪ বার ব্যাট হাতে শূন্য রানে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন। তাঁকে আমরা রাখব পঞ্চম স্থানে।

৪. স্টুয়ার্ট ব্রড- তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ২০০৭ সালে যুবরাজ সিং এর হাতে ছয় বলে ছটি ছক্কা খাওয়া স্টুয়ার্ট ব্রড। ইংরেজ ক্রিকেটার স্টুয়ার্ট ব্রডের টেস্ট অভিষেক ঘটে ২০০৭ সালে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। এখনো পর্যন্ত মোট ১৩৮টি টেস্ট খেলে তিনি ব্যাট করেছেন ২০৩টি ইনিংসে। ১৮.৫৬ গড়ে মোট ৩২১১ রান সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে তিনি ডাক হয়েছেন ৩৫ বার। তবে তিনি এখনও সক্রিয় ভাবে খেলার সঙ্গে যুক্ত। তাই তিনি নিজেকে এই তালিকায় আরও ওপরে নিয়ে যেতে পারেন।



৩. গ্লেন ম‍্যকগ্রা - এই তালিকার তৃতীয় স্থানে আরও একজন অস্ট্রেলীয় রয়েছেন। এঁকে ক্রিকেট বিশ্ব একজন ক্ষুরধার পেস বোলার হিসেবেই চেনে। নিজের সেরা সময়ে বাঘা বাঘা ব্যাটসম্যানদের নিজের পেসের দ্বারা ঘায়েল করেছেন। বহু ব্যাটসম্যানের রাতের ঘুম উড়িয়ে দিতে সক্ষম ছিলেন। গ্লেন ম‍্যকগ্রা নিজের ক্রিকেট জীবনে মোট ১২৪বার ব্যাগি গ্রীন টুপি পরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। নিয়মিত বোলার ছিলেন এবং ব্যাট হাতে তাঁর রেকর্ডও সেরমই ছিল। ১৩৮ ইনিংসে ৭.৩৭ গড়ে মোট ৬৪১রান সংগ্রহ করেছেন, এবং এর মধ্যে ৩৫ বার ক্রিজে এসেই ফিরে গেছেন খালি হাতে।


২. ক্রিস মার্টিন- আমাদের আজকের তালিকার সেকেন্ড বয় হলেন কিউয়ি বোলার ক্রিস মার্টিন। ২০০০ সালে নিউজিল্যান্ডের হয়ে প্রথম বার সাদা জার্সি গায়ে মাঠে নামেন। নিজের সময়ে নিউজিল্যান্ডের পেস বোলিং আক্রমনের অন্যতম ভরসা ছিলেন তিনি। ২০১৩ সাল পর্যন্ত ১৩ বছরে মোট ৭১টি টেস্টে ২৩৩টি উইকেট সংগ্রহ করেন তিনি। তবে ব্যাট হাতে যথার্থই কিস্যু করতে পারেননি তিনি। মোট ১০৪টি ইনিংসে ২.৩৭ গড়ে মাত্র ১০৪ রান করেন তিনি। আর এর মধ্যে ৩৬ বার শূন্য হাতেই সাজঘরে ফেরেন তিনি।


১. স্যার কোর্টনি ওয়ালস- এই তালিকার একেবারে প্রথম স্থান অধিকার করে আছেন ক্যারিবিয়ান গতি দানব কোর্টনি ওয়ালস। নিজের সময়ে বহু ব্যাটসম্যানকে শূন্য হাতে সাজঘরে ফিরিয়েছেন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্বর্ণযুগের দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। টেস্টে ব্যাটসম্যানদের সামনে সাক্ষাৎ বিভীষিকা হয়ে দেখা দিতেন।নিজের টেস্ট ক্রিকেট জীবনে মোট ১৩২টি ম্যাচে ৫১৯টি উইকেট সংগ্রহ করেন। তবে ব্যাট হাতে ১৮৫ বার বাইশ গ্যে গিয়েছেন।৭.৫৫ গড়ে মোট ৯৩৬ রান সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে ৪৩বার শূন্য রানে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে এতবড় শূন্য কোনো খেলোয়াড় করেননি।

তালিকা শেষ তবে একটা অন্যরকম তথ্য দিয়ে আজকের কলাম শেষ করব। ভারত তথা বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান শচীন তেন্ডুলকর নয়নের টেস্ট জীবনে ১৪ বার ডাক হয়েছেন। ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের রাজপুত্র ব্রায়ান যারা যেমন ব্যাট হাতে ৪০০ রান করেছেন তেমনি ১৭ বার শূন্য করে ফিরেছেন সাজঘরে। এমনকি ডন ব্র্যাডম্যানও নিজের টেস্ট কেরিয়ারে ৭ বার ডাক হয়েছেন। তাই এবার খেলতে নেমে শূন্য করলে হতাশ হবেন না, বিশ্বের সেরা তিন টেস্ট ব্যাটসম্যানও কিন্তু শূন্য করেছিলেন ব্যাট হাতে।


Saturday, May 18, 2019

তারকা থেকে মহাতারকায় উত্তরন

May 18, 2019 0
তারকা থেকে মহাতারকায় উত্তরন
ফুটবলে ফ্রি কিক নেওয়ার কথা বললে যে কয়েক জন খেলোয়াড়দের নাম মনের মধ্যে ভেসে ওঠে তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো রবার্তো কার্লোস ডেভিড বেকহ্যাম এবং লিওনেল মেসি অবশ্যই। এঁরা প্রত্যেকেই অ্যাটাকিং পজেশানে খেলেছেন তা নয়, মিডফিল্ডার এবং ডিফেন্ডার হওয়া সত্ত্বেও অনেকেই ফ্রী কিক নেওয়ার ক্ষেত্রে অসাধারন মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন। একদিকে যেমন বেকহ্যামের ফ্রী কিক ছিল নয়নাভিরাম। বলে শট নেওয়ার পর তা ধনুকের মত বাঁক খেয়ে গোলে ঢুকে যেত। আবার রবার্তো কর্লোসের ফ্রী কিকের বিশেষত্ব ছিল গতি। গোলার মত শট ওয়ালের পাশ দিয়ে গিয়ে গোলের ভেতর ঢুকে যেত এত তাড়াতাড়ি, যে গোলকিপার মুভ করারও সময় পেতেন না।

বর্তমান কালের ফ্রী কিক টেকারদের নাম করলে সবচেয়ে বেশী নিউজ প্রিন্ট যাদের দুজনকে নিয়ে খরচ করা যাবে তাঁরা দুজনেই এই গ্রহের দুজন মহাতারকা। ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো এবং লিওনেল মেসি। এবং দুজনের খেলার ধরন এবং ফ্রী কিকের বিশেষত্বও সম্পুর্ন আলাদা। যেখানে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর মুল বিশেত্ব তাঁর গতি এবং সঠিক নিশানা, লিও মেসির বিশেষত্ব হল ফ্রী কিকের সময় বলকে হাওয়াতে মুভ করিয়ে গোলে ঢোকানো। এঁদের মধ্যে প্রথম জন ফ্রী কিক স্পেশালিষ্ট তকমা পেয়েছিলেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডে এসে। এক্ষত্রে উল্লেখ্য এই একই ক্লাবের হয়ে কীন্তু বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম সেরা ফ্রী কিক স্পেশালিষ্ট সুনাম অর্জন করেছিলেন। তিনি অন্য কেউ নন ডেভিড বেকহ্যাম। অন্যদিকে কেরিয়ারের প্রথম দিকে লা মাসিয়া অ্যাকাডেমী তো নয়ই, সিনিয়র বার্সেলোনা দলেও প্রথম দিকে ফ্রী কিক নেওয়ার সেরম সূযোগ পাননি লিও।ঘটনাচক্রে মেসির প্রথম অ্যকাডেমীর অন্যতম কোচ
অ্যালবার্ট বেনাইগেস জানান - " It was something we did not practice.At Barcelona, we used to occasionally do free-kick drills with a wall. We would give the odd bit of advice, but it was not a part of the game we worked on particularly hard."
মেসির ফ্রী কিক স্পেশালিষ্ট হিসেবে উত্তরনের শুরু ২০০৭ এর পর। তার আগে রোনাল্ডিনহো এবং জাভি মুলত ফ্রী কিক নিতেন। ২০০৭-০৮ এবং ২০০৮-০৯ মরশুম থেকে নিয়মিত ফ্রী কিক নেওয়া শুরু করেন লিও। ২০০৮-০৯ মরশুমে মেসি ১টি গোল করেন ফ্রী কিক থেকে।২০০৯-১০ মরশুমে মেসি ২টি গোল করেন, পরের মরশুমে আবার ১টি গোল করেন ফ্রী কিক থেকে। পরবর্তী মরশুম অর্থাৎ ২০১১-১২ মরশুমে ৩টি গোল করেন। অথচ ২০১২-১৩ মরশুমে মেসি করলেন ৬টি গোল।২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫ মরশুমে ক্রমান্বয়ে তিনি করলেন  ৪টি এবং ২টি গোল।এরপর কীন্তু তিনি আর পেছন ফিরে তাকাননি।
২০১৫-১৬ মরশুমে মেসি করলেন ৯টি গোল। তারপর কীন্তু তিনি আর পেছন ফিরে তাকাননি। আর এই সাফল্য কীন্তু একদিনে আসেনি। হঠাৎই মেসির এই ফ্রী কিক সাফল্যের জন্য যেই নামটি সবার আগে আসবে সেটি হল আরেক আর্জেন্টাইন মহাতারকা ডিয়োগো মারাদোনা। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারী মাস, মারাদোনা যখন আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের কোচ, তখন মার্সেলিতে আর্জেন্টিনা দলের এক অনুশীলনে লিও পান ফ্রী কিক নেওয়ার এক বিশেষ পাঠ।তৎকালীন দলে মারাদোনার সহযোগী ফাার্নান্দো সিনোগ্রিনি জানান, একদিন এক প্র্যাকটিস সেশানে যখন লিও তাঁর অবসাদ দুর করার জন্য বলে ক্রমাগত লাথি মারছিলেন। কীন্তু কীছুতেই বল তেকাঠির মধ্যে রাখতে পারছিলেন না, তার পরেই আসেন ডিয়োগো। পরবর্তী টা তাঁর কথায়, "I saw Diego coming, he took him by the shoulder and said: 'Little Leo, little Leo, come here, man. Let's try it again.' It was like a teacher with his pupil. He continued: 'Put the ball here and listen to me: don't take your foot away from the ball so fast because otherwise it won't know what you want.' He then stroked the ball with his left foot straight into the angle of the net, with Messi's face full of admiration."
এই ঘটনাক্রমের পর পরিসংখ্যানে চোখ রাখলেই বোঝা যাবে যে মেসি নিজের খেলার ধরনটিকে কতটা বদলে নিয়েছেন।
মরশুম                    গোল
২০০৮-০৯                  ১
২০০৯-১০                  ২
২০১০-১১                  ১
২০১১-১২                  ৩
২০১২-১৩                  ৬
২০১৩-১৪                  ৪
২০১৪-১৫                  ২
২০১৫-১৬                   ৯
২০১৬-১৭                   ৫
২০১৭-১৮                   ৭
২০১৮-১৯                   ৭
সেই আলোচনাটির পরেই কার্যত বদলে গিয়েছিল লিও মেসির জীবনটাই। শুধুমাত্র বিশ্বের একজন সেরা স্ট্রাইকার হিসেবে নন, একজন ডেডবল স্পেশালিষ্ট হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন। এবং যাঁর খেবার মধ্যে শুধুমাত্র পাওয়ার নয়, একটি অসাধারন শিল্পকর্মের দেখা মেলে। যেখানে রবার্তো কর্লোস, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোরা সঠিক দিশা এবং গতি দিয়ে বলকে গোলে পাঠাচ্ছেন সেখানে বলের ওপর অসাধারন শৈল্পিক ছোঁয়া দিয়েই বলকে তেকাঠিতে রাখছেন লিও। এপ্রসঙ্গে মেসিরই এক সহযোগীর মন্তব্য লক্ষনীয়, "অনুশীলনে বলকে গোলে রাখার জন্য প্রত্যেকে অন্তত তিন থেকে চারটি শট নিতে হয়, সেখানে লিও একটা শটেই কিস্তিমাত করে দেয়। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে বল এমনভাবে গোলে ঢুকে যায় যে ক্যামেরাম্যানও অবাক হয়ে যায়।
এই মুহুর্তে যদি বলা হয় বিশ্বের সেরা ফ্রী কিক টেকারদের কথা, তবে অবশ্যই লিও মেসির কথা আসবেই।আর আমাদের বাঙালিদের কথা বললে আমরা আরও একটু ছাতিটা চওড়া কলতে পারব কারন, এই যুবভারতীতে মেসির কর্নার থেকেই কীন্তু আর্জেন্টিনা গোলটি করেছিল।